1. admin@dainiksomoy24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
২০১৮ সাল থেকে সংবাদ পরিবেশনে জনপ্রিয় দৈনিক সময় ২৪.কম। সারা বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা এবং স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে যোগাযোগ করুন 01716605694
শিরোনাম :
ট্রেনের ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্য পটুয়াখালী কুয়াকাটা মহাসড়কে রোমার সোনালী পরিবহনের চাপায় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী নিহত বাসাপ এর জমকালো ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ই মেইল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হত্যার হুমকি মৌলভীবাজারে জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মৌসুমী শপথ নিলেন নিপুণকে বরণ করে সমিতির কার্যক্রমে অংশ নিলেন ডিপজল রুবেল বিএমএসএফের নির্বাহী কমিটি স্থগিত করেছে ট্রাস্টি বোর্ড বিএনপি এখন আম্মা ভাইয়া গ্রুপে বিভক্ত : শামীম ওসমান দুদক রাঘববোয়ালদের নয় চুনোপুঁটিদের ধরতে ব্যস্ত : হাইকোর্ট দীর্ঘ পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন রওশন এরশাদ

ইতিহাসের টানিং পয়েন্ট ভাসানীর কাগমারী সম্মেলন : মোস্তফা ভুইয়া

দৈনিক সময়ের পত্রিকা ২৪.কম
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৯৯ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:

ইতিহাসে যার যেটুকু ভূমিকা, তা স্বীকার না করলে একদিন ইতিহাসই মুখ ফিরিয়ে নেবে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ১৯৫৭ সালে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর আহŸানে ও নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন ছিল উপমহাদেশ তথা তৎকালিন পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসের টার্নিং পয়েন্ট।

মঙ্গলবার ( ৮ ফেব্রুয়ারি) নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৬৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এক কঠিন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। রাজনীতিকেরা ক্ষমতার চশমায় নিজেরা যেমন সবকিছু দেখতে অভ্যস্ত তেমনি অন্যদেরও দেখতে বাধ্য করছেন। যা শুভ লক্ষন নয়। ১৯৫৭ সালে মওলানা ভাসানীর আহ্বানে অনুষ্ঠিত কাগমারী সম্মেলন ছিল পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের প্রথম স্বাধীনতার ডাক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতি ও সংস্কৃতির স্রোতধারা এক মোহনায় মেশার উদাহরণ খুব বেশি নেই। রাজনীতির কুশীলবেরা বরাবর ক্ষমতাকে মোক্ষ ভাবেন এবং তার হাতিয়ার হলো রাজনীতি। এর ব্যতিক্রম ছিল বাহান্ন, উনসত্তর ও একাত্তর, যেখানে জনগণ ছিলেন ‘নায়ক’। আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল সেই সময়ে রাজনীতি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটেছিল।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, আমরা অনেকেই ইতিহাস ভুলে যাই এবং বর্তমানকে নিয়ে মশগুল থাকতে পছন্দ করি। কাগমারী সম্মেলনকে সাংস্কৃতিক সম্মেলন বলা হলেও এর রাজনৈতিক তাৎপর্য বিশাল এবং জাতির জীবনে সেই সম্মেলনের অভিঘাত হয়েছিল সুদূরপ্রসারী।

কাগমারী সম্মেলন থেকেই মওলানা ভাসানী বাংলাদেশের মানুষকে প্রত্যক্ষভাবে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেন। এই সম্মেলনেই তিনি পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের “আসসালামু আলাইকুম” জানিয়েছিলেন। একটি নিরীহ ধর্মীয় সম্বোধন কীভাবে রাজনৈতিক প্রত্যয়ে রূপ নেয়, সেটা আজও গবেষণার দাবী রাখে। মওলানা ভাসানীর “আসসালামু আলাইকুম” শব্দটি স্বাধীনতার সমার্থক শব্দ হয়ে দাড়িয়েছিল।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া’র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, দলের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম মহাসচিব মো. মহসীন ভুইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, মিতা রহমান, রেজাউল করিম রীবন প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

আর্কাইভ

ফেসবুকে আমরা