1. admin@dainiksomoy24.com : admin :
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
২০১৮ সাল থেকে সংবাদ পরিবেশনে জনপ্রিয় দৈনিক সময় ২৪.কম। সারা বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা এবং স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে যোগাযোগ করুন 01716605694
শিরোনাম :
গাইবান্ধা ৫ আসনে উপনির্বাচনে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে: ইসি মায়োসাইটিসে ভুগছেন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু ১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিন : বাংলাদেশ ন্যাপ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ফাঁসি কার্যকর বিজয়ের ডিসেম্বর মাসের শুরু প্রথমার্ধে গোলশূন্য আর্জেন্টিনা বনাম পোল্যান্ড আট শর্তে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে পুলিশ হরতাল ডেকেছে বাস পরিবহন মালিক শ্রমিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের পক্ষে : বাংলাদেশ ন্যাপ ভারতের কারখানায় আগুন একই পরিবারের শিশুসহ নিহত হয়েছেন ৬ জন মেয়র আনিসুল হকের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

স্বামী দলীয় তৃণমূলের প্রার্থী স্ত্রী বিদ্রোহী

দৈনিক সময়ের পত্রিকা ২৪.কম
  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ৬৮ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্ক নিউজ:

ঘটনাটি ওপার বাংলার দক্ষিণ দমদমের। সেখানে পৌর নির্বাচনে স্বামী সুরজিৎ রায় চৌধুরী দলের হয়ে তৃণমূলের প্রার্থী। স্ত্রী রীতা রায় চৌধুরীও তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। তবে তার নাম প্রথমে প্রার্থী তালিকায় থাকলেও পরে বাদ পড়ে। তাই ভোটে লড়তে স্ত্রী দাঁড়িয়েছেন বিদ্রোহী সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে। দল থেকে স্ত্রীর টিকিট না পাওয়ার এই দুঃখেই দাম্পত্যে ভাঙনের ইঙ্গিত দিলেন স্বামী।

জানা গেছে দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পারিষদ এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ রায় চৌধুরী বৃহস্পতিবার ভারতীয় গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন, দলের স্বার্থে তিনি তার স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিস পাঠিয়েছেন। এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি স্ত্রী, ন’নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল প্রার্থী রীতা রায় চৌধুরী। তিনি জানান, এটি তার পারিবারিক বিষয়। নির্বাচনের পরে যা বলার বলবেন। তবে নোটিস পেয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে সরগরম স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। ঘটনাচক্রে দক্ষিণ দমদমের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক চেয়ারম্যান পারিষদ দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বার নির্দল প্রার্থী হিসাবে দাঁড়িয়েছেন। পারিবারিক ভাঙনের বিষয়ে বিরোধীদের অবশ্য দাবি, আদৌ এমন কিছু ঘটেছে কি না, তা জানা প্রয়োজন। ঘটলে তা অনভিপ্রেত। সুরজিতের পুরনো ওয়ার্ড ন’নম্বর। সেখানে প্রথমে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রীতার নাম থাকলেও পরে প্রার্থী হন টুম্পা দাস। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, ন’নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে নির্দল প্রার্থীরই হোর্ডিং, ব্যানার রয়েছে। জোর প্রচার চলছে। তুলনায় তৃণমূল প্রচারে বরং কিছুটা পিছিয়ে। এই নিয়ে নানা জল্পনা ঘুরছে স্থানীয় মহলে।

এর পরেই বৃহস্পতিবার সুরজিৎ মুখ খোলেন। তাকে দাবি করতে শোনা যায়, ভোটে যে কেউ দাঁড়াতে পারেন। তাঁর স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ন’নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন।

স্ত্রীর নেতৃত্বে বিধানসভায় তৃণমূল ওই ওয়ার্ড থেকে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে। এর পরেই তাঁর দাবি, অনেকেই বলছেন স্বামী-স্ত্রীকে টিকিট দেওয়া যাবে না। কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনা, বারাসত, গারুলিয়ায় স্বামী-স্ত্রী প্রার্থী হয়েছেন। এই দু’রকম বিচারে ভুগতে হল। দলের স্বার্থে পরিবারকে ছাড়তে হল। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সুরজিৎকে ফোন এবং মেসেজ করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি। যোগাযোগ করা যায়নি রীতার সঙ্গেও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

আর্কাইভ

ফেসবুকে আমরা