1. admin@dainiksomoy24.com : admin :
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
২০১৮ সাল থেকে সংবাদ পরিবেশনে জনপ্রিয় দৈনিক সময় ২৪.কম। সারা বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা এবং স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে যোগাযোগ করুন 01716605694
শিরোনাম :
নুরাবাদ ও জাহানপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি অনুমোদন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ে নয়টি নির্দেশনা সাকিব খান যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেয়েছে হাতীবান্ধায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইভিএম এর উপর জনগণের কোন আস্থা নাই : বাংলাদেশ ন্যাপ চিত্রনায়িকা অঞ্জনার জন্মদিনে জায়েদ খানের শুভেচ্ছা পদ্মা সেতুতে স্পিডগান সিসিটিভি বসানোর পরে বাইক চলাচলে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বরগুনায় হাতকড়াসহ পলাতক মাদক মামলার আসামি গ্রেফতার সৌদি আরবে হজ্জ যাত্রী ভিক্ষা করে বাংলাদেশী হাজী আটক পদ্মা সেতু‌ রেলিংয়ের নাট‌ বল্টু খুলে আলোচিত বায়েজিদের গ্রা‌মের বাড়ীতে ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা

সংবিধানে নিয়োগে বৈষম্য করা যাবে না স্পষ্ট নির্দেশনা আছে : তারেক

দৈনিক সময় ২৪
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬৬ বার পঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : এইচ এম বিল্লাল হোসেন রাজু

 

 

এই মর্মে জানানো যাচ্ছে যে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর চাকরিতে (১-১৩ তম গ্রেড) প্রবেশে সকল ধরনের কোটা বাতিল করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয় । এ ছাড়া সংবিধানেও নিয়োগে বৈষম্য করা যাবে না স্পষ্ট নির্দেশনা আছে। এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে একটি বিশেষ বিধান সংযুক্ত করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

যা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সংবিধানের সাথে পুরপুরি সাংঘর্ষিক। আপনারা জেনে থাকবেন এখানে ৬০% নারী কোটা, ২০% শিক্ষকদের পোষ্য তথা পরিবার কোটা, ২০% পুরুষ কোটা। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে প্রতিবন্ধী এতীম বা অনগ্রসর শ্রেনীকে বিশেষ বিবেচনায় কোটা প্রদান করা যাবে, কিন্তু এখানে সেটি মানা হয় নাই। প্রতিবন্ধীরা কোটা না পেলেও শিক্ষকদের সন্তান ও স্ত্রীর জন্য কোটা রাখা হয়েছে ২০%। এছাড়া নারী কোটা ৬০% একটি অতিমাত্রার কোটা প্রয়োগ। এমন অবস্থায় বেকার যুবক শ্রেনী হতাশায় নিমজ্জিত হয়েছে, পরিবার ও সমাজের কাছে অনীহার বস্তুতে পরিণত হয়েছে। অনেক বেকার আত্মহত্যা করেছে। দ্বিতীয় যে আলোচনাটি আমরা করতে চাই, শিক্ষা একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর সেক্টর, যেখানে ভুল লোক নিয়োগ পেলে জাতি গঠনে সঠিক শিক্ষা আমাদের সন্তানেরা পাবে না। বিবিসির একটি প্রতিবেদনে আপনারা দেখেছেন ৬৫% শিক্ষার্থী প্রায়হমিকের গন্ডি পেরিয়ে বাংলা রিডিং ভাল করে পড়তে পারে না। এই দায় আমরা কার উপর চাপাতে পারি। এটা মেধাবী, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীরা শিক্ষক হবার পথে বৈষম্যমূলক কোটার কারনে নিয়োগ বঞ্চিত হবার সরাসরি একটি প্রভাব পড়ছে আমাদের শিক্ষায়। শিকড় যদি ঠিক না থাকে, তাহলে আমরা যেমন ভাল শিক্ষিত জাতি পাব না, তেমনি পাব ভাল চিকিৎসক বা ভাল ইঞ্জিনিয়ার।

 

আমরা এই বৈষম্যমূলক কোটা বাতিলে উচ্চ আদালতে রিটি পিটিশন করেছি। আপনারা জেনেছেন এমন বৈষম্যমূলক কোটা বাতিলে উচ্চাদলত রুল জারি করলেও এর মাঝেই প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অধিদপ্তর তাদের নিপীড়নমূলক কোটা নীতি প্রয়োগ করে নিয়োগের তৎপরতা চালাচ্ছে। যা আদালতের স্পষ্ট অবমাননা। এমন হলে আমরা আদালত অবমাননার কারনে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব।

আমাদের আজকের মানব বন্ধন হতে আমরা আমাদের প্রতি হওয়া বৈষম্যের বিরুদ্ধে সতর্ক করতে চাই যে, বেকারদের অনেক কষ্ট দিয়েছেন আপনারা, আপনারা আর কালক্ষেপণ করবেন না। অতি দ্রুত নিয়োগে স্বচ্ছতা এনে কোটা বাতিল করে বিদ্যমান নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মেধাবীদের নিয়োগ দিয়ে একটি শিক্ষিত জাতি গঠনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

আর্কাইভ

ফেসবুকে আমরা