1. admin@dainiksomoy24.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
২০১৮ সাল থেকে সংবাদ পরিবেশনে জনপ্রিয় দৈনিক সময় ২৪.কম। সারা বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা এবং স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে যোগাযোগ করুন 01716605694
শিরোনাম :
ট্রেনের ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্য পটুয়াখালী কুয়াকাটা মহাসড়কে রোমার সোনালী পরিবহনের চাপায় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী নিহত বাসাপ এর জমকালো ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ই মেইল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হত্যার হুমকি মৌলভীবাজারে জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মৌসুমী শপথ নিলেন নিপুণকে বরণ করে সমিতির কার্যক্রমে অংশ নিলেন ডিপজল রুবেল বিএমএসএফের নির্বাহী কমিটি স্থগিত করেছে ট্রাস্টি বোর্ড বিএনপি এখন আম্মা ভাইয়া গ্রুপে বিভক্ত : শামীম ওসমান দুদক রাঘববোয়ালদের নয় চুনোপুঁটিদের ধরতে ব্যস্ত : হাইকোর্ট দীর্ঘ পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন রওশন এরশাদ

অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দিন : এনডিপি 

দৈনিক সময়ের পত্রিকা ২৪.কম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬২ বার পঠিত

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

 

 

 

 

নানা মিথ্যা মামলাসহ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের গ্রেফতারকৃত সকল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সাংবাদিকেদের নি:শর্ত মুক্তর দাবী জানিয়েছেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা ও মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা।

 

 

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা এ দাবী জানান।

 

 

তারা বলেন, ১৯৭৪ সালের ‘বিশেষ ক্ষমতা আইন’ এদেশের সরকার বিরোধী আন্দোলন ও কন্ঠ স্তব্দ করতে ব্যবহৃত হচ্ছে গত ৪৮ বছর যাবত। রাজনৈতিক দলগুলো বিরোধী দলে থাকলে এই আইন বাতিলে সোচ্চার হলেও ক্ষমতায় গেলে তা তারা ভুলে গিয়ে বিরোধী কন্ঠ স্তব্ধ করতে ব্যবহার করে থাকে।

 

 

 

নেতৃদ্বয় বলেন, ১৯৭৪ সালে এই নিমর্তনমূল আইন প্রনয়ন হলে দেশের ছাত্রসমাজ প্রতিবাদ করেছিল এবং গ্রেফতার হয়েছিল। যাদের মধ্যে তৎকালিন ছাত্রনেতা খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা অন্যতম। সেই থেকে পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নদীর কত স্রোত বয়ে গেলেও ৪৮ বছরে তা বাতিল হয়নি। যখন যে সরকার ক্ষমতায় এসেছেন তারা তাদের ভোগের বস্তূ হিসাবে এই ক্ষমতা কে ব্যবহার করেছেন। সর্বশেষ এই আনের অপব্যবহার হলো বিএনপি’র নেতা প্রকৌশলী ইশরাকের বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটক।

 

 

তারা বলেন, সরকার বিরোধী কন্ঠরোধ করতে এই ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অপব্যবহার কোন ভালো লক্ষণ নয়। মানুষের অধিকার আদায়ের বাধা আসলে অবশ্যই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সেই প্রতিরোধ যদি সরকারের বিপক্ষে যায় তাহলে এদেশের মানুষের করার কিছুই থাকবে না।

 

 

নেতৃদ্বয় বলেন, যারা আজ রাজনীতিতে কথা বলতে চাচ্ছেন না তাদের সবার প্রতি আহ্বান, মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে প্রয়োজন এক সাথে কথা বরা। অধিকার আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কোন বিকল্প নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

আর্কাইভ

ফেসবুকে আমরা