1. admin@dainiksomoy24.com : admin :
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৯:১২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
২০১৮ সাল থেকে সংবাদ পরিবেশনে জনপ্রিয় দৈনিক সময় ২৪.কম। সারা বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা এবং স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে যোগাযোগ করুন 01716605694
শিরোনাম :
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় বাসের ধাক্কায় মাইক্রোবাস উল্টে নিহত ১ আহত ১২ জন অবাধ তথ্য প্রবাহের সুবর্ণ সময় অতিক্রম করছে বাংলাদেশ : স্পিকার ড. শিরীন ১৮ তে পা রাখলো বার্তা প্রবাহ পুনাক সভানেত্রীর বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ঈদের ১০ নাটকে অভিনেত্রী সুষ্মি রহমান আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ফুলগাজীতে ১৪৪ ধারা জারি প্রথমবার বিজ্ঞাপনে একসঙ্গে কাজী হায়াৎ ও শাহনূর কুড়িগ্রামে বন্যার্তদের মাঝে চায়না বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার -সিবিএফসি এর ত্রাণ বিতরণ বরগুনায় নিখোঁজের ৪ দিন পর খাল থেকে খোকন মরদেহ উদ্ধার জবি ছাত্রদলের সভাপতি আসলাম সম্পাদক সুজন

হোটেল কক্ষে ধর্ষণের মামলা নেয়নি পুলিশ

দৈনিক সময় ২৪
  • আপডেট সময় : বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০২২
  • ৫৭ বার পঠিত

 

বরগুনা জেলা প্রতিনিধি:

 

 

 

 

বরগুনার আমতলীতে বিয়েতে রাজি না হলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে হোটেল কক্ষে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় দুই যুবক। এমন অভিযোগে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে অপহৃত ভিকটিম ছাত্রীর বাবা।

 

 

 

সোমবার ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ মো. হাফিজুর রহমান আমতলী থানার ওসিকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার আসামীরা হল আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী গ্রামের আবদুল মন্নানের ছেলে রাসেল ও রাসেলের বন্ধু রাকিব।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাদীর মেয়ে ভিকটিম (১৩) আমতলীর স্থানীয় একটি বালিকা বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশুনা করে। অভিযুক্ত রাসেল পথেঘাটে ও স্কুলে আসা যাওয়ার সময় বাদীর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। বাদী প্রতিবাদ করলে রাসেল ও তার বন্ধু রাকিব বাদীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।

 

 

 

ঘটনার দিন (৬ এপ্রিল) সকালে বাদীর মেয়ে স্কুলে যাবার পথে বাড়ির সামনে রাস্তার গেলে পূর্বে থেকে সেখানে ওৎ পেতে থাকা রাসেল ও তার বন্ধু রাকিব বাদীর মেয়েকে খুন জখমের ভয় দেখিয়ে মোটর সাইকেলে উঠিয়ে কুয়াকাটা পর্যটন এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়।

 

সেখানে রাসেল জোর পূর্বক ভিকটিম স্কুল ছাত্রীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। আর সহযোগী বন্ধু রাকিব বাহিরে বসে পাহারা দিতে থাকে। ধর্ষণ শেষে ভিকটিমকে ওই হোটেলে ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়। পরে ভিকটিম স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারকে খবর দেয়। তারা গিয়ে ঘটনাস্থলে ভিকটিমকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

 

 

 

মামলার বাদী জানান, আমার মেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আমাকে খবর দেয়। আমি আত্মীয়-স্বজন নিয়ে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসি। এরপর মেয়েকে সুস্থ্য করে ১২ এপ্রিল আমতলী থানায় মামলা করিতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আমার মামলা না নিয়ে ঘুরাইতে থাকে। পরে আমি বাধ্যহয়ে আদালতে মামলা করেছি।

 

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএ মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমতলী থানায় কেহ মামলা করতে আসেনি। মামলা করতে আসলে অবশ্যই মামলা নেওয়া হতো। তিনি আরো বলেন, আদালতের আদেশ এখনো হাতে পাইনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

আর্কাইভ

ফেসবুকে আমরা