1. admin@dainiksomoy24.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
২০১৮ সাল থেকে সংবাদ পরিবেশনে জনপ্রিয় দৈনিক সময় ২৪.কম। সারা বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা এবং স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে যোগাযোগ করুন 01716605694
শিরোনাম :
রাস্তায় নয় বিএনপি টঙ্গী ইজতেমা মাঠ অথবা পূর্বাচল বাণিজ্য মেলার মাঠেও সমাবেশ করতে পারে: ডিএমপি ময়লার গাড়ি ভাঙচুর মামলায় রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি অলিদ তালুকদার কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ায় : জাতীয় মানবাধিকার সমিতির অভিনন্দন স্বরূপকাঠি উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করায় আনন্দ মিছিল সাবেক মন্ত্রী এ বি এম গোলাম মোস্তফার মৃত্যুতে এনডিপির শোক জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের উপর হামলা নতুন বছরে দেশে কোনো অর্থনৈতিক চাপ থাকবে না: পরিকল্পনামন্ত্রী সারাদেশে চলছে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক ১১ বছর পর চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বিএফএসএফ প্রতিষ্ঠাতা আবু জাফরকে হত্যার হুমকির ঘটনায় থানায় জিডি

হাতীবান্ধায় ইউপি চেয়ারম্যান মারধর করে ব্লাং স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে 

দৈনিক সময়ের পত্রিকা ২৪.কম
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২
  • ৬১ বার পঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ রায়হানুল ইসলাম

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিচারের রায় মানতে দেরি হওয়ায় ঘুমন্ত কৃষককে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে এনে ইউনিয়ন পরিষদের রুমে দরজা -জানালা বন্ধ করে নির্মম নির্যাতনসহ ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার অভিযোগ উঠেছে বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এ ঘটনায় ওই ইউপি চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামী করে সাথে আরও ৪ জন গ্রাম পুলিশের নাম উল্লেখ করে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিত জহুরুল হক।

 

 

 

 

 

 

 

হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।জহুরুল হক ওই ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবী এলাকার ২নং ওয়ার্ডের জামাল উদ্দিনের ছেলে ।

 

 

 

 

 

 

 

 

অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল ১নং বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক চেয়ারম্যান আজগর আলীর ছেলে।

 

 

 

 

 

 

 

 

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ওই উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড পশ্চিম সারডুবি এলাকার আপন ভাই জহুরুল হকের সাথে নজরুল ইসলামের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিলো ।

 

 

 

 

 

 

 

এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান এক পক্ষ নিয়ে নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় দেয়। বর্ষাকালের কারণে সেই বিচারের রায় মানতে দেরি হয় জহুরুল হকের। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ৪-৫ জন গ্রাম পুলিশ দিয়ে বাড়ী থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় জহুরুল হককে জোর করে তুলে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসেন ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল । গ্রাম পুলিশের সঙ্গে আসতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়ির উঠানে জহুরুল হককে চড়থাপ্পড় মারেন দু’জন গ্রাম পুলিশ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পরে ঐদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে তাকে ঢুকিয়ে দরজা -জানালা বন্ধ করে দিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করেন ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল। এসময় বাঁশের লাঠি দিয়ে জহুরুল হককে পঙ্গু করে দেয়ার জন্য তার হাত ও পায়ের নক, আঙ্গুলসহ বিভিন্ন স্থানে নির্যাতন করা হয় বলে দাবী করেন ভুক্তভুগি ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এতে প্রায় জ্ঞান হারার উপক্রম হয়ে পরেন ভুক্তভুগি জহুরুল হক। এসময় জহুরুল হক কান্নাকাটি করলে ওই ইউপি চেয়ারম্যান প্রাণনাশসহ বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিয়ে নিজের দোষ ঢেকে রাখতে জোরপূর্বক ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়। সেখানে থেকে মুক্তি পেলে, অসুস্থ জহুরুলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করায় পরিবারের লোকজন।
ওই দিন রাতে ছেলের মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলকে প্রাধান আসামী করে আরও চারজনের নাম উল্লেখ করে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় জহুরুল হক।

 

 

 

 

 

 

 

নির্যাতনের স্বীকার জহুরুল হক সাংবাদিকদের সামনে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমি চোর নই, ডাকাত নই, মাদক ব্যবসায়ী নই অথচ বিনা অপরাধে ঘুম থেকে তুলে এনে আমাকে পাশবিকভাবে নির্যাতন করেছে ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল এবং ৪ জন গ্রাম পুলিশ। এটা কোন দেশ, এখানে কি কোন আইনকানুন নেই। এ সময় চেয়ারম্যানসহ ঐ গ্রাম পুলিশদের উপযুক্ত শান্তির দাবী করেন ভুক্তভুগি।

 

 

 

 

 

 

 

তবে এবিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এর আগেও গত বছরের জুলাই মাসে, ওই উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের দালালপাড়া গ্রামের তরিমুদ্দিনের পূত্র এমদাদুল হককে বড়খাতা বাজারের একটি চায়ের দোকান থেকে ইউপি চেয়ারম্যান সোহেলের হুকুমে শফিকুল ইসলামসহ ৩ জন গ্রাম পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। পরে চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশ তাকে মারপিট করে ১০টি জমির দলিলে (স্ট্যাম্প) স্বাক্ষর নেয় এবং বড়খাতা বাজারে ব্যবসা করতে দিবে না বলে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি । বিষয়টি তদন্ত পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  

ফেসবুকে আমরা